This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Thursday, February 26, 2015

Learn Meitei Mayek (Manipuri Alphabet) online with e-pao!


This webpage is an easy interface for beginners to learn Meitei Mayek (Manipuri Alphabet) script.
The lesson starts with the alphabets. Audio support is available to let you know how each alphabet is pronounced.

For the first time, blackboard system is developed to make one write the letters as you learn it. How each letters can be written is demonstrated with an animated picture on this site.

e-pao Link-

Wednesday, February 25, 2015

Downloadable Manipuri Calendar for the year 2015

Downloadable Manipuri Calendar for the year 2015
Developed By "Team e-pao"


Downloadable Manipuri Calendar for the year 2015 starting from Sajibu to Lamta.

You will need a PDF reader software to browse this calendar.

§  Download here (PDF - 1279 KB)

Manipuri Calendar 2015 :: Apps for Android Phones

Manipuri Calendar 2015 :: Apps for Android Phones

Download this Apps from Google play at https://play.google.com/store/apps/details?id=com.joy.calendar2015&hl=en

A simple Manipuri calendar for all the fellow Manipuris. It shows all the dates/days using lunar calendar. You can tap on next and previous button to navigate 
through months. 

It includes below features:
1.  Navigate to see the calendar of all months. You can tap on the dates with red marker below to view the list of happening for the day.
2.  A list of festivals celebrated in Manipur.Tap on each festivals to know more.
3.  A list of holidays observed in Manipur. It shows the day, date and Thaban of the holiday.
4.  Information about restricted holidays of Manipur.
5.  A short Information of solar and lunar eclipse.
6.  It also contains the yearly horoscope.
7.  Notification during festivals and important news.

From Joychandra Loukrakpam (Developer)
As the new year comes i thought of contributing a small android app for meitei calendar 2015. It includes list of festivals, holidays, horoscope etc. User can also get notification in case of festivals and important news, please put in the e-pao page so that fellow Manipuri's can benefit from it.

Hope all Manipuris enjoy using this application and would like to receive feedback on improving the application so that we as a Manipuri can be known to the world.



* This contibution is from Joychandra Loukrakpam who can be contacted at pleishangthem@gmail.com
This was posted on December 20, 2014.

মৃত্যুঞ্জয়ী নারীঃ বীরকন্যা প্রীতিলতা

মৃত্যুঞ্জয়ী নারীঃ বীরকন্যা প্রীতিলতা

সুরজিৎ সিংহ


তত্কালীন বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসনের নাগপাশ ছিন্ন করে দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামে যারা নিঃশঙ্কুচিত্তে আত্মাহুতি দিয়েছেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দাদার অন্যতম। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রীতিলতা ওয়াদ্দাদার এর ৭৯ তম আত্মাহুতি দিবস। এ দিনটিতে ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপীয়ান ক্লাব আক্রমণে সফল অভিযান শেষে তিনি গুলিবিদ্ধ আহত অবস্থায় "পটাসিয়াম সায়ানাইড" বিষ পানে আত্মাহুতি দেন।
ধলঘাট, চট্টগ্রামের এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে প্রীতিলতার জন্ম ১৯১১ সালের ৫ মে। বাবা জগবন্ধু ওয়াদ্দাদার ছিলেন মিউনিসিপ্যাল আপিসের হেড কেরানী।
প্রীতিলতা, যে মেয়ের জন্ম সংবাদ শুনে বাড়িতে নেমেছিল এক শোকের ছায়া। কালো এবং মেয়ে বলে তাঁর জন্মে মন খারাপ হয়েছিল বাবা ও আত্মীয় স্বজনের| মা আদর করে যার নাম রেখেছিলেন "রাণী"। স্বামীকে বলেছিলেন আমার কালো মেয়ে দেখো একদিন সবার মুখ আলো করবে। "মায়ের আত্মবিশ্বাসকে সত্যে পরিণত করেছেন প্রীতিলতা । তিনি হয়েছেন স্বাধীনতাকামীদের কাছে এক আদর্শ স্থানীয়া, দেশপ্রেমিক বীরাঙ্গনা। অমর হয়েছেন বাংলাদেশ-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে" । সেই কৈশোর থেকেই বৃটিশ ঔপনিবেশিকতা, তাদের শোষণ-অত্যাচার, নির্যাতন প্রীতিলতাকে তাড়িত করতো। বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ধীরে ধীরে। কৈশোরের শুরুতেই যখন সে ডাঃ খাস্তগীর স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী তখন একটি ঘটনা প্রত্যক্ষকরণ তাঁর চেতনাকে নাড়া দিয়েছিল। সে প্রত্যক্ষ করেছিল, বিশিষ্ট স্বাধীনতাকামী নেতা অম্বিকাচক্রবর্তী এবং উমাতারা উচ্চ ইংরেজী স্কুলের অংকের শিক্ষক সূর্যসেনকে পুলিশ কর্তৃক রেলওয়ের টাকা ডাকাতির দায়ে গরুর গাড়ির ওপর বসিয়ে নির্মমভাবে মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া। যাদেরকে আদালত নির্দোষ প্রমাণ করে বেকসুর খালাস দিয়েছিল। আরেকটি বিষয় তাঁকে দারুণ ব্যথিত করতো, তা হলো বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী-পুরুষের বৈষম্য। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী প্রীতিলতা তাঁর এক দূর সম্পর্কীয় আত্মীয় সুবল দাদার কাছ থেকে পরোক্ষভাবে বিপ্লবী সংগ্রামের প্রেরণা লাভ করেন। সেই দাদা তত্কালীন নিষিদ্ধ বইগুলো এনে প্রীতিলতাকে গোপন সংরক্ষণে রাখতে দিত। "ক্ষুদিরাম", "কানাইলাল", "বাঘা যতীন", "দেশের কথা", "সরকারী রাউলাট কমিশন রিপোর্ট"-এসব পড়ে তাঁর ক্ষোভ ক্রমেই বাড়তো। এরই মাঝে প্রীতিলতা ম্যাট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাশ করেন। ভর্তি হন ঢাকার ইডেন কলেজে। এ সময়ে ঐ মেয়ে কলেজের এক অধ্যাপিকা প্রীতিলতার মননশীলতা ও মেধার গভীরতা লক্ষ্য করে তাঁকে "দীপালী সংঘ" (শ্রী সংঘ নামক বিপ্লবী দলের মহিলা শাখা)-এর সদস্যা করার পরিকল্পণা করেন। "দীপালী সংঘ" এর সংস্পর্শে আসেন প্রীতিলতা। এতে তাঁর চেতনার ধার আরো শানিত হয়,তীক্ষ্ণ হয়। হয়ে ওঠেন আরো বিদ্রোহী সংগ্রামী। তিনি ভাবতেন, "ইংরেজরা আমাদের যা হুকুম করবে তা আমাদের মানতে হবে কেন? সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে ওরা এ দেশে আসবেই বা কেন ?আমাদের দাবড়াবে কেন?" যে বৃটিশ শাসকদের তাড়াতে গিয়ে ১৭৫৭-তে রাণী ভবাণী আর তার একশত বছর পরে রাণী লক্ষীবাই স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করে অমর হয়েছেন। প্রীতিলতা স্বপ্ন দেখতেন রাণী ভবাণী আর লক্ষীবাই এর মত লড়াই করার। বিপ্লবী সংগ্রামে অংশ নয়ার তীব্র আকাঙ্খা ও জেদ নিয়ে তাঁর সুবল দাদাকে বলেন, "এতকাল আগে থেকে তাঁরা যদি দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়তে পারে তবে আমি কেন পারবো না ? আমার খুব ইচ্ছে করছে ওদের মতো হতে। আমার ডাক নাম তো রাণী। নাটোরের রাণী আর ঝাসীর রাণী যা পেরেছিল চট্টগ্রামের রাণীও তা পারবে"। তাঁর পীড়াপীড়ি ও আগ্রহ দেখে সেই দাদা এ প্রসঙ্গে মাষ্টারদা সূর্যসেনের সাথে আলোচনা করেন। স্বভাবকোমল বাঙালী নারী সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য কোনক্রমেই উপযুক্ত নয়। এই ধারণা থেকে বিপ্লবী দলে নারী সদস্যা নেয়া হতো না। তথাপি অদম্য আগ্রহ, উত্সাহ এবং রাজনৈতিক সচেতনতার মাত্রা ও আন্দোলনের স্বচ্ছ ধারণা থাকার জন্যে প্রীতিলতাকে বিপ্লবী দলে সদস্যা করার সিদ্ধান্ত নেন মাষ্টারদা সূর্যসেন।
মাত্র সতের বছর বয়সে বিপ্লবী দলের সদস্যা হলেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দাদার। শুরু হয় তাঁর নতুন যাত্রা। ক্রমে ১৯২৯-এ তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে আই.এ. পাশ করেন। বৃত্তি পান কুড়ি টাকার। ফলে তিনি দর্শন বিষয়ে বি.এ. অনার্শে ভর্তি হন কলিকাতার বেথুন কলেজে। ছাত্রীনিবাসেই থেকে তিনি এক বিশিষ্ট বিপ্লবী কর্মীর সহায়তায় সেখানে বিপ্লবী কর্মকান্ডের জাল বিস্তার করতে থাকেন। ১৯৩১, দেশে চলছে পরাধীরতার শৃংখল ছিন্ন করার সশস্ত্র সংগ্রাম, বিপ্লবীরা পাঞ্জা ধরছেন মৃত্যুর সঙ্গে। তখন বি.এ. অনার্স পরীক্ষা আসন্ন হলে তিনি মুক্তি সংগ্রামকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সকলের অনুরোধে তিনি পরীক্ষা দেন, তবে অনার্স নয় সাধারণ বি.এ. পরীক্ষা। এই পরীক্ষায়ও তিনি সম্মানের সঙ্গে ( ডিস্‌টিঙ্কশনে ) পাশে করেন। অতঃপর চট্টগ্রামে ফিরে এসে তিনি একটি ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধাণ শিক্ষয়িত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আর পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি মুক্তি সংগ্রামে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ সময় দেশকে স্বাধীন করার জন্যে, সাফল্যে পৌঁছার লক্ষ্যে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভিযার শুরু হলে তিনিও এসব অভিযানে অংশ নেয়ার কঠিন পণ গ্রহণ করেন। বাংলার বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে কোন বিপ্লবী নারীর সাক্ষাৎ লড়াইয়ে অংশ না নেয়া এবং শহীদ হওয়ার সৌভাগ্য লাভ না করার বেদনা তাঁকে অধীর করে তুলতো। এই ব্যর্থতাকে তিনি নিজেরই ব্যর্থতা বলে মনে করতেন। এবং সাক্ষাত সশস্ত্র বিপ্লবী কোন কাজে যোগদানের জন্য তিনি নেতৃবৃন্দের কাছে ক্রমাগত দাবী জানিয়ে এসেছেন। অবশেষে তিনি পেলেন সেই সুযোগ। নির্ধারিত হলো ২৩ সেপ্টেম্বর' ১৯৩২ রাতে পাহাড়তলী ইউরোপীয়ান ক্লাব আক্রমণ অভিযানের। মাষ্টারদা সেই আক্রমণের নেতৃত্বের ভার দিলেন প্রীতিলতাকে। প্রীতিলতা ও তাঁর পাঁচজন সহযাত্রী এই অভিযানের জন্য প্রস্তুত হলেন। অভিযান শাণিত হলো নির্ধারিত সময়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রীতিলতা ও তাঁর সহযোদ্ধারা অভিযানের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করলেন। দলনেত্রী প্রীতিলতা সহযোদ্ধাদের প্রত্যাবর্তনের হুকুম দিলেন। সামরিক নীতি অনুযায়ী তিনি ছিলেন দলের পিছনে। আক্রমণের সময় এক ইংরেজ যুবক ক্লাব সংলগ্ন এক বড় নালায় লম্বা হয়ে শুয়ে আত্মরক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। বিপ্লবীরা তাদের কাজ শেষ করে চলে যাচ্ছে দেখে সে ওখান থেকেই সবার পিছনে পাগড়ি মাথায় পোষাক পরা প্রীতিলতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। নিষ্ঠুর বুলেট প্রীতিলতার বুকে আঘাত হানে। ধূলায় লুটিয়ে পড়ে সেনাপতির রক্তাক্ত দেহ। আহত অবস্থায় বিপ্লবীদের শত্রুপক্ষের হাতে ধরা না পড়ার কঠোর নীতি ছিল। তাই প্রীতিলতাও তাঁর কর্তব্য সেই অবস্থায় স্থির করে ফেলেন। নিশ্চিত মৃত্যুর লক্ষ্যে তিনি তাঁর পকেট থেকে বিষের মোড়কটি খুলে নিজের মুখের মধ্যে ফেলে দেন। মুহূর্তেই অসমসাহসিকা প্রীতিলতার দেহ হয়ে যায় নিথর নিশ্চল। তাঁর মৃত দেহের পোষাকের মধ্যে স্বহস্তে লিখিত একটি বিবৃতি পাওয়া যায়। তাতে তিনি বিশেষ করে নারী সমাজের প্রতি লিখেছিলেন "..... দেশের মুক্তি সংগ্রামে নারী ও পুরুষের পার্থক্য আমাকে ব্যথিত করিয়াছিল। যদি আমাদের ভাইয়েরা মাতৃভূমির জন্য যুদ্ধে অবতীর্ণ হইতে পারে, আমরা ভগিনীরা কেন উহা পারিব না ? ..... নারীরা আজ কঠোর সংকল্প নিয়াছে যে, আমার দেশের ভগিনীরা আজ নিজেকে দূর্বল মনে করিবেন না। সশস্ত্র ভারতীয় নারী সহস্র বিপদ ও বাঁধাকে চূর্ণ করিয়া এই বিদ্রোহ ও সশস্ত্র মুক্তি আন্দোলনে যোগদান করিবেন এবং তাহার জন্য নিজেকে তৈয়ার করিবেন-এই আশা লইয়াই আমি আজ আত্মদানে অগ্রসর হইলাম।" নিপীড়ক সমাজে দাসত্বের শৃংখল আর বৈষম্যের হাত থেকে থেকে নারীমুক্তির সংগ্রামে প্রীতিলতার চেতনা বড়ই প্রয়োজন। তাঁর শেষ আহবান এ সংগ্রামের পাথেয়। প্রীতিলতার যোগ্য উত্তরসূরী হোক আজকের নারীরা।
২৩-০৯-২০১১.

কম্পিউটারের স্পীড বাড়ানোর ১৮টি দারুণ টিপস

কম্পিউটারের স্পীড বাড়ানোর ১৮টি দারুণ টিপস

1.              কম্পিউটারে কখনো Theme ইনস্টল করা উচিত নয় । থিম কম্পিউটারকে অনেক ধীর করে দেয়।
2.              কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি (ভয়েস ঘড়ি) ইত্যাদি ইনস্টল করবেন না। এগুলো কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়।
3.               Recycle bin সব সময়ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ কোনো ফাইল রাখবেন না। Recycle binএ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়।
4.              Start থেকে Run-এ ক্লিক করে এক এক করে Prefetch, temp, %temp%, cookies, recent লিখে Run করুন। ফোল্ডারগুলো খুললে সবগুলো ফাইল ডিলিট করুন । কোনো ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মুছে ফেলুন।
5.               কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে Run করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়বে।
6.              ডেস্কটপে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Propertiesএ যান। এখন ডান পাশ থেকে Settingsএ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে ok করুন।
7.               আবার Start থেকে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে Run করুন। এখন ডান পাশের Servicesএ ক্লিক করুন। যে প্রোগ্রামগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলোর থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। এখন Startup-এ ক্লিক করে সবগুলো টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
8.              এখন My Computer খুলে C ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। তারপর Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রত্যেকটি ড্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
9.              Start থেকে Control Panel-এ যান। Automatic Updates-এ ডবল ক্লিক করুন। Turn off Automatic Updates নির্বাচন করে ok করুন। যারা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এটা তাঁদের জন্য ।
10.          My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Customs সিলেক্ট করে সবার নিচের বক্সের ঠিক চিহ্নটি রেখে বাকি সবগুলো তুলে দিয়ে ok করুন।
11.          আবার My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced সিলেক্ট করে নিচে ডান পাশে Error Reporting-এ ক্লিক করুন। Disable সিলেক্ট করে ok করুন।
12.          My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন System Restore-এ ক্লিক করে Turn off System Restore on all drives-এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন। ডেস্কটপে যত কম আইকন রাখা যায় ততই ভালো।
13.          Ctrl + Alt + Delete চেপে বা Task bar-এ রাইট ক্লিক করে Task Manager ওপেন করুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রামের তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছেনা, সেগুলো সিলেক্ট করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। এই প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামও আছে। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সমস্যা হয়, তাহলে কম্পিউটার Restart দিন। ঠিক হয়ে যাবে।
14.          কম্পিউটারের র‌্যাম কম থাকলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার কিছুটা ফাস্ট করা যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance-এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size  Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামতো size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যামের size-এর দ্বিগুণ এবং Maximum size-এ র‌্যামের size-এর চারগুণ দিলে ভালো হয়।
15.          প্রথমে Control panel-এ যান। Control panel থেকে Add or Remove-এ ডবল ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাঁ পাশ থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন, তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে একই পদ্ধতিতে যে প্রোগ্রামগুলো আপনারকাজে লাগে না সেগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful massage এলে Finish-এ ক্লিক করুন। Restart করতে বললে Restart করুন।
16.          শুধু আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন। যে সফটওয়্যারগুলো সব সময় কাজে লাগে না, সেগুলো কাজ শেষ করে আবার আন-ইনস্টল করে দিন।
17.          হার্ডডিস্কের ১৫ শতাংশ জায়গা ফাঁকা রাখলে এবং নিয়মিত ডিফ্রাগমেন্ট করলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট থাকে। হার্ডডিস্কের ফাঁকা স্থানের পরিমাণ যত বেশি থাকে ততই ভালো।
18.          সফটওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহার করার চেয়ে পোর্টেবল সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার বেশি ফাস্ট থাকে।

কম্পিউটারের যে কোনো টিপস ব্যবহার করবেন নিজ দায়িত্বে, উপরে উল্লেখিত টিপস সমূহও নিজ দায়িত্বে প্রয়োগ করবেন।

Tuesday, February 24, 2015

Unicode Typing Tool For Meitei Mayek (Manipuri)

Unicode Typing Tool For Meitei Mayek (Manipuri)



Brief Description of the softwares:
1.MANIPURI LANGUAGE UNICODE COMPLIANT KEYBOARD DRIVER (UNICODE TYPING TOOL) 
This is basically a typing software, which is useful for creating data or contents in Manipuri language. This means, you will be able to do simple tasks such as writing email text in Manipuri, create short stories, write articles, prepare a report, create a office notice, etc in Manipuri language. 


2.MANIPURI LANGUAGE UNICODE COMPLIANT OPEN TYPE FONTS (UNICODE FONTS) 


This is a set of fonts which can be used while creating the contents in Manipuri language. These fonts are Unicode compliant and hence adheres to storage standard. These are aesthetically good looking fonts in Normal weight.


3.MANIPURI VERSION OF BHARATIYA LIBREOFFICE (OFFICE SOFTWARE)
LibreOffice is a Free and open source office software like any other commercially available office softwares. It has components for Word Processing (WRITER), Spreadsheet Application (CALC), Presentation software (IMPRESS), Database application (BASE), Drawing software (DRAW),and Application for creating mathematical formulae (MATH). 


System Requirments:
1) Operating System supported:
Windows XP(32 Bit), Windows 7 (32bit and 64 bit), Windows 8 (32bit and 64 bit), Windows Vista (32bit and 64 bit) 


2) Applications Supported
1.   Office 2007 ( 32 bit) and Office 2010 ( 32bit and 64 bit)
2.   LibreOffice 3.4.2 ( 32 bit)
3.   Open Office 3.2 ( 32 bit)
4.   Notepad
5.   Wordpad

3) Processor : P-IV and above.

Friday, February 20, 2015

৭টি Whatsapp টিপস যা প্রত্যেকের জানা দরকার

৭টি Whatsapp টিপস যা প্রত্যেকের জানা দরকার


প্রায় ৬০০মিলিয়ন ব্যবহারকারী নিয়ে Whatsapp বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাসেজিং অ্যাপ। এমন কাউকে খুজে পাওয়া সত্যিই খুব দুরুহ যিনি এই অ্যাপ ব্যবহার করেন এবং এটা দিয়ে কোন কিছু আপলোড বা ডাওনলোড করেন না। তারপরও অথরিটি এই অ্যাপ এর সিকিউরিটি নিয়ে তেমন ব্যস্ত নন। কিন্তু বিখ্যাত এন্টিভাইরাস কোম্পানি ESET এটার উপর গবেষনা করে এর সিকিউরিটির জন্য বেশ কিছু টিপস শেয়ার করেছে।
১. আপনার শেয়ারকৃত ছবি গুলো আপনার ফোনের/ট্যাবের গ্যালারিতে না দেখানোঃ

আমরা যারা এই অ্যাপ টা ব্যবহার করি তারা দেখি এই অ্যাপ দ্বারা শেয়ারকৃত প্রত্যেকটি ছবি আমাদের ফোনের গ্যালারিতে দেখা যায়। আপনি চাইলে এই শো করাটা বন্ধ করে দিতে পারেন। এজন্য নিচের মত কাজ করতে পারেন। আপনার ফোন যদি আইফোন হয় তবে আপনি আপানার ফোনের সেটিংস মেনুতে গিয়ে প্রাইভেচি>ফটোস> এবং এখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপ টা ডিসেবল করে দিন। তাহলে আপনার শেয়ার করা ছবিগুলো গ্যলারিতে দেখা যাবে না ।
আর যদি এন্ড্রয়েড হয় তবে আপনাকে একটু কষ্ট করতে হবে। এজন্য আপনাকে প্রথমে ES File Explorer ব্যবহার করতে পারেন, এটা আপনি প্লে স্টোর এ পাবেন। এই অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনার ফোনের স্টোরেজ ব্রাউজ করুন এবং আপনি Whatsapp এর ইমেজ ও ভিডিও ফোল্ডার দেখতে পাবেন। এই ফোল্ডার গুলোতে "nomedia" নামের ফাইল তৈরি করেন। এটা আপনার গ্যালারিকে ঐ ফোল্ডার থেকে ছবি স্ক্যান করা থেকে বাধা দিবে। এই ভাবে আপনি অন্যান্য ফোল্ডারের ছবি ও গ্যালারি থেকে লুকিয়ে ফেলতে পারেন।
আর হ্যা যদি নকিয়া ফোন ব্যবহারকারী হন তবে x-plore ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনার ফোন মেমোরি অথবা মেমোরী কার্ডের images>Whatsapp এইফোল্ডারটা হাইড করে দিতে পারেন। তাতে কেউ আপনার শেয়ারকৃত ছবি গুলো দেখতে পাবেনা।
২. আপনার প্রোফাইল পিকচার এ প্রাইভেসি এনাবল করেনঃ
আপনার প্রোফাইল পিকচারটিকে প্রাইভেসি দেওয়ার জন্য প্রাইভেসি মেনুতে গিয়ে সেট প্রোফাইল পিকচার শেয়ারিং টা অনলি কন্টাক্ট করে দিন। এতে যারা আপনার কন্টাক্টে নেই তারা আপনার ছবি দেখতে পারবেনা। যার ফলে আপনার অপরিচিত রা আপনার ছবি ডাওনলোড করতে পারবেনা ।
৩. স্কাম থেকে মুক্তি পানঃ
Whatsapp আপনাকে কখনোই আপনার চ্যাট, মেসেজ, বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়ার বিষয়ে কোন টেক্সট বা ইমেইল পাঠাবে না। যদি এই রকম কোন কিছু আপনার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে তবে নিঃসন্দেহে এটা স্কাম। যতটুকু সম্ভব এটাকে এড়িয়ে চলুন।
৪. আপনার হোয়াটসঅ্যাপ ডিএক্টিভেট করে দিন[ যদি আপনি আপানার ফোন হারিয়ে ফেলেন]
আপনি যদি আপনার ফোন বা ট্যাব হারিয়ে ফেলেন তবে যত দ্রুত সম্ভব অন্য একটি মোবাইলে আপনার রিপ্লেসমেন্ট সিম  দিয়ে আপনার আইডিতে লগিন করুন। Whatsapp সাধারণত একটি মোবাইলে একবার একটি একাউন্ট খুলতে দেয়। আর এভাবেই যদি আপনি নতুন করে কোন ফোন দিয়ে আপনার আগের সিমের রিপ্লেসমেন্ট দিয়ে লগিন করেন তবে Whatsapp আপনার নতুন ফোনের ইএমই এর উপর নির্ভর করে পুরাতন ফোনের মাধ্যমে আপনার হারানো সিমের আইডি ঐ ফোনের জন্য ব্লক করে দিবে।
৫. আপনার Whatsapp আপ্লিকেশনটি সর্বদা লক করে রাখুনঃ
Whatsapp আপনাকে বিল্ট-ইন কোন পিন বা পাসওয়ার্ড ফিচার দিবে না । তাই আপনি আপনার চ্যাটিং বা ম্যাসেজ গুলোকে সিকিওর রাখার জন্য আপনি থার্ড পার্টির কোন অ্যাপ লকার ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ লক ফর whatsapp, chat and message locker, প্রভৃতি।
৬. হাইড লাষ্ট সীন টাইমঃ
Whatsapp এর বহুল অপছন্দনীয় ফিচার লাষ্ট সীন টাইম।এই ফিচারটি আপনার কন্টাক্ট কে আপনি তার দেয়া ম্যাসেজটি পড়েছেন কিনা তা সম্পর্কে অবগত করে এবং অনেকসময় তা বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে ইউজার কে।  আপনি  চাইলে এই ফিচারটি বন্ধ করে দিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে প্রোফাইল>প্রাইভেসি  এবং এখান থেকে তা বন্ধ করে দিতে পারেন। বলাবাহুল্যঃ আপনি যদি এই ফিচারটি বন্ধ করে দিন তবে অন্য কেউ আপনার ম্যাসেজ দেখেছে কিনা সেটাও আপনি জানতে পারবেন না । তাই কাজটা নিজ দায়িত্বে করবেন।
৭. আপনি কি বিষয়ে কথা বলছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকুনঃ

আপনার গোপনীয় তথ্য, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, ইমেইল এড্রেস, ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসপোর্ট বা অন্যান্য গোপনীয় তথ্য শেয়ার থেকে বিরত থাকা ভাল। কারণ এটা একজন ব্যবহারকারীকে মধ্যস্ততা থেকে বাচতে সাহায্য করবে। যেমনঃ ধরুন, আপনি কোন বন্ধুকে আপনার ঠিকানা দিচ্ছেন এবং সে কোন একটা অপকর্ম লিপ্ত হয়ে গেল এমতাবস্তায় তার ফোন চেক করে আপনার সাথে তার যোগসুত্রতা থাকতে পারে মর্মে আপনার বিরুদ্ধে কোন ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে।